GuidePedia

0
তার জন্ম একটি সাধারণ পরিবারে। তাই অনাড়ম্বর জীবনেই অভ্যস্ত লিওনেল মেসি। শৈশবে তার বেড়ে ওঠা সেভাবেই। অসুস্থতা আর মেসি যেন একই সুতায় গাঁথা। পরিবারের অবস্থা তেমন ভালো না। রোগের চিকিৎসা করা ছিল পরিবারের পক্ষে বলতে গেলে অসম্ভবই। তাই মা-বাবাকে নিয়ে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে আসলেন স্পেনে। সেখানেই তার স্বপ্নের পরিচর্যা। পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক অবস্থার পালা বদল। এই তো লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। বিস্ময়ের অপর নাম এটি। সারা বিশ্বে আজ মেসি নামের জয়ধ্বনি।



মাত্র পাঁচ বছর বয়সে বাবা হোর্হে মেসির হাত ধরে ফুটবলের সঙ্গে সখ্য। বাবা স্টিল কারখানার শ্রমিক ছিলেন। শখের বসে মেসিকে বানালেন ফুটবলার। প্রাথমিকভাবে মেসির কোচ তার বাবাই। ছেলের প্রতিভা দেখে নিজেই বিস্মিত। আট বছর বয়সে নিওয়েলস ওল্ড বয়েজ ক্লাবে মেসি যোগ দেন। বয়স যখন ১১। হঠাৎ মেসির গ্রোথ হরমনের ঘাটতি ধরা পড়ে। চিকিৎসার খরচ মাসে ৯০০ ডলার। সাধ্য নেই শ্রমিক বাবা আর পার্ট টাইম ক্লিনার মায়ের। মেসির ফুটবলশৈলি দেখে অনেক ক্লাবই তাকে দলে টানতে চায়। কিন্তু চিকিৎসার খরচ চালাতে রাজি নয়। বিস্ময় বালকটির ‘অসময়ের বন্ধু’ হয়ে আবির্ভূত হয় ভিনদেশি ক্লাব বার্সেলোনা। অবশ্য শর্ত জুড়ে দেয় স্প্যানিশ ক্লাবটি, আর্জেন্টিনা ছেড়ে চলে যেতে হবে স্পেনে। হোর্হে দ্বিমত পোষণ করলেন না। হাতের কাছে কাগজ ছিল না বলে চুক্তি সই হয় পেপার ন্যাপকিনে।
সেই অসুস্থ বালকটি আজ ফুটবলের রাজা। কোটি কোটি ফুটবলারের অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। গরিব ঘরের ছেলেটির বছরে আয় প্রায় দেড়শ কোটি টাকা! গোটা দুনিয়ায় মেসি বলেই একবারেই চেনে। জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। এখন চাইলে হাজারো অসুস্থ শিশুকে অর্থায়ন করতে পারবেন তিনি।

Post a Comment

 
Top